মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচণ্ড আর্থিক ক্ষতির মুখে বাংলাদেশের কাঁকড়া চাষিরা একুশে বই মেলা ২০২০ সালে ডা.এম এ মাজেদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বই হোমিওসমাধান প্রকাশিত হয়েছে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের গোলাগুলিতে সাবেক কাউন্সিলর নিহত চীনের উহানের উচাং হাসপাতালের প্রধান ডা. লিউ ঝিমিং মারা গেছেন দুর্নীতি করতে দেব না, দুর্নীতি করব না এটাই হোক ছাত্রলীগের স্লোগান-মাশরাফি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে মোটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষে আহত ৪ পরিকল্পনামন্ত্রীর কচুরিপানা খাওয়া বিষয়ে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের সমালোচনা তসলিমা নাসরিনের বোরখা নিয়ে মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন এআর রাহমানের মেয়ে খাতিজা জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল আর নেই আজ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম মহাতারকা মান্নার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রতারকের ছদ্মবেশ সাংবাদিক সোহেল ধরাছোঁয়ার বাইরে

J I
  • Update Time : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১০৩ Time View

প্রতারকের ছদ্মবেশ, প্রাইমারি পাশ সাংবাদিক, সোহেল ধরাছোঁয়ার বাইরে সম্প্রতি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সোনালী ব্যাংক শাখার পে-অর্ডার সহ বিভিন্ন কাগজের অনিয়ম সংক্রান্ত ৯৬ লাখ টাকা উধাওয়ের যে অভিযোগ ওঠে,ব্যাংকের দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির তদন্ত পর্যন্তই তার সুরাহা আটকে আছে।

এদিকে ব্যাংক কর্মকর্তা জমির উদ্দিন ও ঐ শাখার দালাল সোহেল রানা কে অভিযুক্ত করে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কে দায়ি করে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ও টেলিভিশনে খবর প্রচারিত হলে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় না আনায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে অভিযুক্ত সোহেল রানা একটি জাতীয় পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি পরিচয়ে নানান রকম অপকর্ম করতো। যদিও সে সবসময় দৌলতপুরের বাসিন্দা। কুষ্টিয়া শহরের নন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সিনিয়র সাংবাদিকেরা জানান গত ৮-৯ মাস হলো সোনালী খবর নামের একটি পত্রিকার প্রতিনিধি হয়েছে শুনেছি। তারপর তার বেপরোয়া অপসাংবাদিকতা আমাদেরকেও অপমানিত করেছে। বিভিন্ন মানুষ তার কাছ থেকে প্রতারিত হয়েছে।

আরও জানা গেছে দৌলতপুরের সাংবাদিকদের কৌশলে বিভ্রান্ত ছড়িয়ে সোহেল স্থানীয় একটি সংগঠনের পদ নিয়ে নেতাও হয়েছেন। প্রাইমারি পাশ সোহেল কিভাবে সাংবাদিক সংগঠনের লোক হয় এমন প্রশ্নও তোলেন এলাকাবাসী। সাংবাদিকতা শুরু করার একবছরও না হতে সোহেলে বেপোরোয়া ও চাঁদাবাজী স্বভাব স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও বিভিন্ন সময় বিব্রত করেছে বলে জানা যায়। এলাকাবাসীর অনেকেই বলেন, সোহেল বাবার চায়ের দোকানে কাজ করতো ছোট বেলা থেকেই। হঠাত সে পে-অর্ডার আর সাংবাদিকতা শুরু করে। কখনো পড়া-লেখা করেছে বলে আমাদের খেয়াল নাই। এর আগে সোহেল রানা আরও কয়েক জনের কাছে ৫০ লাখেরও বেশি টাকার জালিয়াতি করেছে বলে জানা যায়। সোহেল সাংবাদিকতার অপব্যবহার আর বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রতারণা চালিয়ে অর্থবিত্ত জমিয়েছে বলে বলেন কেউ কেউ। তার পত্রিকা অফিসের আরেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামানের যোগসাজশে সে এইধরণের কাজ করে এবং সোহেল নিজের নামে সম্পত্তি রাখেনা বলেও জানান স্থানীয়রা।

এদিকে, টাকা হারিয়ে মাথায় হাত ভূক্তভোগীদের। সোহেল তার মুখোশ লুকাতে এলাকা থেকে পালিয়ে এখনও ফেসবুকে সাংবাদিকতার অভিনয় করছেন। পত্রিকার সাংবাদি পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশ সচিবালয়ের পাশ কার্ড নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রী ও সচিবদের দরজার সামনে নাম ফলকের পাশে দাড়িয়ে সেলফি তুলে লোক দেখাতো বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে নানা কৌশলে ছবি তুলে তা দিয়ে ভূ’য়া প্রচার চালাতো বলে জানা যায় এবং তার ব্যবহৃত ফেসবুকেও সেরকম লক্ষ্য করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


More News Of This Category