বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২০ | দুপুর ২:০৯

গোলাপগঞ্জ সুরমায় সেতুর অভাবে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ভোগান্তি

J I
  • Update Time : রবিবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ১০০৯ Time View

অলিউর রহমান তামিম : দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছেনা গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের। গত তিন ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছাতে বিপাকে পড়েছেন বাঘা ইউনিয়নে বসবাসরত এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। গোলাপগঞ্জ পৌরশহর ও বাঘা ইউনিয়নের মাঝখানে বয়ে চলা সুরমা নদীতর একটি ব্রীজের অভাবে
এ দুর্ভোগ যেন তাদের নিত্যসঙ্গীঁ হয়ে আছে বহুকাল ধরে।
১ নং বাঘা ইউনিয়নে এসএসসি পরীক্ষার কোনো কেন্দ্র না থাকায় ওপারে গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমি সহ – যেসকল কেন্দ্র রয়েছে সে সকল কেন্দ্রে এসেই তাদেরকে পরীক্ষা দিতে হয়। কেন্দ্রে পৌছুতে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা। যা দশ থেকে পনেরো জন ছাত্র-ছাত্রী ধারণ ক্ষমতা রাখে। খেয়া নৌকায় ওপার থেকে ওপার আসা যাওয়াতেই পাঁচ থেকে  সাত মিনিট সময় লাগে। এছাড়া ইঞ্জিন নৌকায় বাঘা মাদ্রাসা ঘাট থেকে গোলাপগঞ্জ থানা ঘাট যেতে সময় লাগে নূন্যতম ২০ মিনিট।  যা এসএসসি পরীক্ষার্থীর জন্য চরম দূভোগ্যের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল ইউনিয়ন হচ্ছে বাঘা ইউনিয়ন। অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ে এ ইউনিয়নে জনসংখ্যার  তুলনামূকভাবে বেশী। এ ইউনিয়নে রয়েছে প্রায় ৩০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ । এসব লোকজন প্রতিদিন জীবনের তাগিদে উপজেলা সদর সহ সিলেট শহরে যাতায়াত করছেন প্রতিনিয়ত। আর এ যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নৌকা। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার লোকজন যাতায়াত করেন নৌকা যোগে। সুরমা নদী দিয়ে পারাপার করতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হয় তাদেরকে ।  বিশেষ করে এ ইউনিয়নের ছাত্র-ছাত্রীরা পড়েন নানা বিড়ম্ভবনায়। বাঘা ও উপজেলা সদরের সাথে সুরমা নদীর ওপর ব্রীজ না থাকার ফলে যুগ যুগ ধরে নৌকা দিয়ে এ অঞ্চলের হাজার হাজার লোকজন চলাচল করছেন প্রতিনিয়ত।

সচেতন মহল বলছেন,   সুরমা নদীর ওপর ব্রীজ স্থাপন করা হলে উপজেলার লোকজনদের যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে উপকৃত হবে হাজার হাজার মানুষ।

নয়ন নামের এসএসসি পরীক্ষার্থী এ প্রতিবেদককে বলেন, সেতু না থাকায় পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে অনেক কষ্ট হয়।  সকাল ৮ টায় বাড়ী থেকে বের হতে হয়। একটিমাত্র নৌকা থাকায় অনেক অপেক্ষা করতে হয়। যার জন্য সকালে উঠে ভালো ভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয় না।  তাড়াহুড়ো  করে বেরিয়ে পড়তে হয়।

আসমা সিদ্দিকা নামের আরেক শিক্ষার্থী জানান, আমরা মেয়ে মানুষ পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছুতে শুধু নদীর পারেই ঘন্টা দুয়েক ঘন্টা দাঁড়াতে হয়।  যদি সুরমা নদীর ওপর ব্রীজ থাকতো তাহলে পরীক্ষায় যেতে সহজ হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


More News Of This Category