শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ | সকাল ৭:৫৫

হাতীবান্ধার এসিল্যান্ড পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের প্রশংসা পত্র

প্রকাশক
  • Update Time : শনিবার ২০ জুন, ২০২০
  • ১০৮ Time View


আসাদ হোসেন রিফাত, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা রাখায়  উপজেলায় কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সামীমা সুলতানা  এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন (ভূমি) মন্ত্রণালয় সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী।জানা যায়, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় সময়ের সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে লড়াই করে যাওয়ায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে সুপারিশ পত্র (ডিও লেটার) পাঠিয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয় সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী।

গত (১৪জুন) সচিবের স্বাক্ষরিত ডিও লেটারটি হাতীবান্ধা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সামীমা সুলতানা  গ্রহণ করেছেন।এ বিষয়ে এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সামীমা সুলতানা বলেন , এ স্বীকৃতি নতুন কাজের জন্য আমাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমি সামনে আরো ভালো কিছু করার চেষ্টা করবো।উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন সারা বিশ্ব বিপদগামী, ঠিক তখনই হাতীবান্ধা উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রথম থেকেই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন  এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সামীমা সুলতানা ।সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা, জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি।

প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছেন। অভিযানের সময় সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং করে দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার ভিতরের রাখতে, অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ করতে কঠোর ভূমিকা পালন করেছেন । তারই স্বীকৃতিস্বরূপ এসিল্যান্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।এ বিষয়েে তার সাথে কথা হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতিনিধিকে বলেন যে  কোন স্বীকৃতি কাজে অনুপ্রেরণা জোগায়। আর সে স্বীকৃতি যদি হয় মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তির নিকট থেকে তবে শ্রদ্ধায় হৃদয় বিগলিত হয়। পরম শ্রদ্ধেয় ভূমি সচিব জনাব মোঃ মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী স্যারকে আন্তরিক ধন্যবাদ।করোনা মহামারীসহ সকল সময়ে সরকারের অর্পিত দায়িত্ব শতভাগ আমানতদারিতার সাথে পালনের চেষ্টা করেছি। আল্লাহর কাছে সবসময় দোয়া করেছি এবং করি যেন একটি হারাম উপার্জনের টাকাও আমার শরীরে প্রবেশ না করে।এসিল্যাণ্ড হিসেবে সবসময় সরকারি স্বার্থ ও সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করেছি। যে কাজ করেছি তা আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র । 

Please Share This Post in Your Social Media


More News Of This Category