শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ | সকাল ৭:০৮

সেনাপ্রধানের চ্যালেঞ্জিং দুই বছর : সাফল্যে রাঙানো প্রত্যাশা-প্রাপ্তির মেলবন্ধন

প্রকাশক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২০
  • ১৩৩ Time View

রাশিদুল ইসলাম জুয়েল : দেখতে দেখতেই কেটে গেছে আরও একটি স্বর্ণালী বছর। নিজের দুই বছর পূর্তির সময়টিতে প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।সেনাপ্রধান হিসেবে নিজের নির্ধারিত সময় থেকে আরও একটি বছর বিস্মৃতির অতীত হলেও চ্যালেঞ্জিং এই বছরটিকেও ঠিকই রাঙিয়েছেন সাফল্যে। অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন সেনাবাহিনীকে।হিসাবের খাতায় দেখা যাচ্ছে, এ অগ্রযাত্রার সমান্তরালে নেই কোন ব্যর্থতা। তবে ঘটনাবহুল গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় বছর কাটিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। সেনাপ্রধান হিসেবে দ্বিতীয় বছরের দিনপঞ্জিকার শেষ পাতাটি উল্টে দিয়েছেন।নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার পানসিতে চড়ে শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে পা রাখছেন নতুন বছরে। কিন্তু অতীতের বীজেই যে ভবিষ্যতের বৃক্ষ, তাই পেছনে ফিরে তাকাতেই হয়।নানা কাজের ফিরিস্তি লেখা খাতাটি সাবেক হলেও সেটি আলোর পথেরই বার্তা দিয়েছে। ফলে কালস্রোতের উর্মিমালায় সৃষ্টিসুখের উল্লাসে সাফল্যের জয়গানেই রচনা করেছেন নিজের দু’বছর।সব দলের অংশগ্রহণে রক্তপাতহীন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের কৃতিত্ব যেমন মুঠোতে ভরেছেন তেমনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের নির্দেশে জোরদার করেছেন সামরিক কূটনীতি।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও ফণীর পর সুপার সাইক্লোন আম্পানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত হতভাগ্য মানুষকে জীবনের ছন্দে ঘুরে দাঁড়াতে প্রভাবকের ভূমিকা রেখেছে সেনাবাহিনী।তাঁর নেতৃত্বেই করোনা মহাদুর্যোগে দেশের সাধারণ মানুষকে নিজেদের জীবনবাজি রেখে সুরক্ষিত রাখতে দিন-রাত একাকার করে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। নিরাশার গভীর থেকে ফুটিয়ে তুলেছেন আশার আলো, মহামারির ভেতরও উজ্জ্বল মানবিকতায় ফুটিয়েছেন নবতর জীবনের ফুল।কঠিন দু:সময়ে নেতৃত্বগুণ, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের স্বকীয় যোগ্যতায় সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের নাম অঙ্কন হয়েছে আজ ও আগামীর ইতিহাসের সোনালী পাতায়।জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দীর্ঘ সময় পর ইথুপিয়াকে পেছনে ফেলে আবারও এক নাম্বারে ওঠে আসার গৌরবগাঁথার অধিকারী হওয়ার সময়টিও ফিরে এসেছে তাঁর সময়েই। স্বাভাবিকভাবেই এ কৃতিত্বও ধরা দিয়েছে সেনাপ্রধানের ঝুলিতে।তবে যে কোন বড় অর্জন দায়িত্বও যে বাড়িয়ে দেয়, দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে সেই কথাও সেনাপ্রধানকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সুহৃদরা।
স্বাধীনতার পর সহিংসতা ছাড়াই জাতীয় নির্বাচন২০১৮ সালের ২৫ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন জেনারেল আজিজ আহমেদ। এরপরই তাকে কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বড় এক চ্যালেঞ্জেও উত্তীর্ণ হন।ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের আগে অনেক শঙ্কা-অঘটন আর উৎকন্ঠার চাদরকে তুড়িতে উড়িয়ে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান। দেশের স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম কোন রকম সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।সেনাবাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় মানুষ আশ্বস্ত হয়ে ভোট দিয়েছে। ভোটে গণতান্ত্রিক রায়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয় অর্জিত হয়।পোড় খাওয়া ভোটাররা ছাড়াও তরুণ প্রজন্মের ভোটাররাও উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার আওয়ামী লীগকেই টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের জন্য নৌকার পক্ষে ব্যালট বিপ্লব ঘটান।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সামরিক কূটনীতিসেনাপ্রধান হিসেবে দ্বিতীয় বছরের দিনপঞ্জিকার শেষ পাতাটি উল্টে দিয়েছেন বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)। নিজের দ্বিতীয় বছর পূর্তি হয়েছে সেনাপ্রধানের। সময়ের পরিক্রমায় আরও একটি বছর বিদায় নিলেও নিজ বাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে কর্মকর্তাদের মনের গহ্বরেও জমা পড়েছে কত স্মৃতির পলি। যোগ হয়েছে নানা প্রাপ্তির সমীকরণ।রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শুরু থেকেই কিছু ‘মাস্টার স্ট্রোক’ খেলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সামরিক কূটনীতিতে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালের ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সেনাপ্রধান চীন সফর করেন।সফরকালে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী উয়েই ফেং থেকে শুরু করে শুরু করে সামরিক নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে চীনের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস আদায় করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমারের ওপর চীনের চাপ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে ‘নীরব দূতিয়ালী’ বা সাইলেন্ট ডিপ্লোমেসির মোড়কে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।এরপর চীনের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া মেলার পর ডিসেম্বরে চারদিনের মিয়ানমার সফরে যান সেনাপ্রধান।প্রতিবেশী হিসেবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘স্ট্র্যাটেজিক সম্পর্ক’ স্থাপন গোটা দুনিয়ায় দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ সফরকে ইতিবাচক হিসেবেই অভিহিত করে বিশ্বের নামি অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।সেনাপ্রধানের এ সফরের সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি সফরটি আমাদের পক্ষে যাবে। এটি আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। এর ফলে আরেকটি লাইন অব নেগোসিয়েশন তৈরি হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আলোচনার অরেকটি পথ খুলে দেবে।’

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাদুর্যোগের ক্যালেন্ডারের পাতায় দগদগে ক্ষত সৃষ্টি করা দু’টি ঝড়- বুলবুল, ফণী ও সর্বশেষ সুপার সাইক্লোন আম্পান মোকাবেলা করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী।জলবায়ু পরিবর্তের সঙ্গে এমনিতেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে।

তবে ২০১৯ থেকে ২০২০ প্রকৃতি যেন নূন্যতম ছাড় দেয়নি। এর আগেও বিভিন্ন সময় বন্যা, সাইক্লোন ও ঘুর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী সফলভাবেই নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে।সুপার সাইক্লোন আম্পানের পর ঈদের দিনেও ঈদ আনন্দ উপেক্ষা করে খুলনা, সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের ঘরদোর মেরামতের কাজ করে দিয়েছেন সেনা সদস্যরা। এসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজও শুরু করে সেনাবাহিনী।এসব কাজ সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য সম্প্রতি সাতক্ষীরা ও খুলনার কয়রা এলাকা পরিদর্শনে যান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি নিজ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা-বিভাগীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি সভা করেন।নিজ বাহিনীর তৃণমূলের সদস্যদের উদ্দেশ্যে তাঁর উজ্জীবনী ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধিতে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আবারও নাম্বার ওয়ানবিশ্ব শান্তি রক্ষায় প্রায় ৩২ বছর যাবত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে সেনাবাহিনী।সৎ, নির্ভীক ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর সদস্যরা মালি, দক্ষিণ সুদান কঙ্গো, লাইবেরিয়া থেকে শুরু করে ৪০ টি দেশে ৫৪ টি মিশনে শ্রম, মেধা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে নিজেদের সেরা হিসেবেই প্রমাণ করেছেন।এসব মিশনে ১ লাখ ৩৭ হাজার সেনা সদস্য অংশগ্রহণ করেছেন। শান্তির পথে আসা এসব দেশে মানবাধিকার রক্ষা, বেসামরিক নাগরিক বিশেষত শিশু ও নারীদের সুরক্ষা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে গেছে বাংলাদেশিরা।একই সঙ্গে সড়ক ও স্থাপনা নির্মাণ, মাইন অপসারণ, সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়তার মাধ্যমে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

সূত্র মতে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখা দেশসমূহ সফর করেন। সেখানে তিনি সাধারণ সৈনিক থেকে শুরু করে সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বিষয়টিতেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তরেও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ইতিবাচক ফলও মিলে।সূত্র জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক সদস্যের অংশগ্রহণের দিক থেকে অতীতে প্রথমেই ছিল বাংলাদেশ। পরবর্তীতে ইথুপিয়া এ স্থান দখল করে। জাতিসংঘের র‌্যাঙ্কিং’এ আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।সর্বশেষ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাকলিকে কয়েক সপ্তাহ আগে ২৭৫ জনের একটি কনটিনজেন্ট বাংলাদেশ থেকে সেখানে পৌঁছে। এর মাধ্যমে হারানো গৌরব আবারও পুনরুদ্ধার করে বাংলাদেশ। নি:সন্দেহে জেনারেল আজিজ আহমেদের সেনাপ্রধানের জামানায় এ এক অনন্য প্রাপ্তি।

কোভিড-১৯ মহাদুর্যোগ মোকাবেলায় সুখ্যাতিসেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের নেতৃত্বে টানা দুই বছরে সেনাবাহিনী অনেক এগিয়েছে। এ সময় নেতৃত্বে অপরিমেয় দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কোভিড-১৯ মহাদুর্যোগ শক্ত হাতে সামাল দিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দোরে দোরে গিয়ে সতর্ক প্রচারণা চালিয়েছেন সেনারা।স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে চরম সঙ্কটের সময়ে সাধারণ মানুষকে পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা, গরিব-অভাবী ও দুস্থ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার সহায়তাসহ সেনাবাহিনীর মানবিক নানা উদাহরণের গল্প এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।বৈশ্বিক মহামারি করোনা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে বীরচিত্তেই একের পর এক কার্যকর উদ্যোগ সফলতার সঙ্গেই বাস্তবায়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। যিনি নিজের বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই বাঙালি জাতির কষ্ট, দুর্দশা লাঘবে কখনও পিছপা হতে শিখেননি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিজেদের জীবনবাজি রেখেই সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের নেতৃত্বে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করছে সেনাবাহিনী।অতীতের মতোই নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, বিশ্বস্ততা ও দক্ষতার সঙ্গে চলমান মহাদুর্যোগেও সফলভাবেই সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন সেনাপ্রধান।গত দুই বছরে সেনা সদস্যদের নিজেদের মধ্যকার বন্ধন আর সুদৃঢ় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বে সমৃদ্ধির মহাসড়কের দিকে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বেড়াজাল ছিন্ন করে সরকারের দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী।

প্রধানমন্ত্রীকে সেনাপ্রধানের ধন্যবাদ, ভবিষ্যতের দিক নির্দেশনাপ্রধানমন্ত্রী ঘোষিত চলমান করোনা যুদ্ধে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে সেনাবাহিনীকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সেনাপ্রধানের বিশেষ দরবারে দেশের সকল সেনানিবাস থেকে সম্পৃক্ত সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সেনাপ্রধান।একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ও অন্যান্য সদস্যদের এ মহতী কার্যক্রমের প্রশংসার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য দিক নির্দেশনাও প্রদান করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media


More News Of This Category