বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
পদ্মার বুকে জেগে উঠছে বালুচর মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর জন্মদিনে ন্যাপ মহাসচিবের শুভেচ্ছা রাবির ভর্তি পরীক্ষায় সেকেন্ড টাইমারদের সুযোগ দেয়ার চিন্তা, পরীক্ষা অফলাইনে আগের নিয়মেই মহানবীকে (সা:) অবমাননায় বিশ্ব মুসলিমকে ক্ষুদ্ধ করেছে ফ্রান্স : ন্যাপ  ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, জবি শিক্ষার্থী তিথি সরকারকে সাময়িক বহিষ্কার বাংলার বাঘ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক একটি অবিস্মরণীয় নাম সুদকারবারীর মিথ্যা মামলায় কোলের শিশু আদালতে রাজনীতিকে পরিশীলিত, পরিমার্জিত ও সৃজনশীল করা দরকার : শ. ম রেজাউল করিম পদ্মাসেতুর নাম ‘শেরে বাংলা’র নামে নামকরন করুন : সরকারের প্রতি মোস্তফা সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে এরফান সেলিম গ্রেফতার

নাচোলে ১৬৫ তম সিধু কানহু দিবস পালিত

প্রকাশক
  • Update Time : বুধবার ১ জুলাই, ২০২০
  • ১৪৯ Time View

এস এম সাখাওয়াত জামিল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৫ তম দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটিকে অনেকে ঐতিহাসিক সিধু কানহু দিবস বলেও আখ্যায়িত করে থাকেন।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নাচোল উপজেলা আদিবাসী একাডেমী মিলনায়তনে আদিবাসী একাডেমী নাচোল এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ সময় আদিবাসী একাডেমীর সভাপতি যতীন হেমরোমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মারডি, আদিবাসী মুক্তি মোর্চার জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ মাহাতো, দিঘরী পরিষদের রাজা বাবু লাল টপ্পো, তালিথাকুমি চার্চের জেলা সুপার জোনাস সরেন ও নাচোল ইউনিয়ন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অশ্বীনী বর্মণসহ অনেকে।

অপর দিকে একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার কসবা ইউনিয়নের ছুটিপুর আদিবাসী পাড়ায় ও নাচোল ইউনিয়ন পরিষদের ঢালান বেনীপুর আদিবাসী পাড়ায় জাতীয় আদিবাসী পরিষদের নাচোল উপজেলার ও রানী ইলামিত্র সংসদের সভাপতি বিধান সিং সিধু-কানহু দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অঞ্জলী রানী, সখি মুন্ডা, বদি মুন্ডা, বাবুল মুন্ডা ও স্বদেশ মাহালী।
বক্তারা সমতল ভূমিতে আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং আদিবাসী সংগ্রামী নেতাদের জীবনী, আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের এ দেশীয় দালাল সামন্ত জমিদার, সুদখোর, তাদের লাঠিয়াল বাহিনী, পুলিশের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সাঁওতাল নেতা সিধু, কানহু, চাঁদ ও ভৈরব এ চার ভাই এর নেতৃত্বে রুখে দাঁড়ায় সাঁওতালরা। ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন তৎকালিন ভারত বর্ষের ভাগলপুরের ভগ্না ডিহি গ্রামে ১০ হাজার সাঁওতাল কৃষকের বিরাট জমায়েত হয়। তারা সেদিন শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়েছিলেন। ওই শপথ ছিল বিদ্রোহের শপথ। সাঁওতাল বিদ্রোহ হয়ে উঠেছিল সব সম্প্রদায়ের গরিব জনসাধারণের মুক্তিযুদ্ধ।

Please Share This Post in Your Social Media


More News Of This Category